চিরদিনের জন্য

 


একজন ছেলেকে দেখা যাচ্ছে পুরনো ডায়েরি হাতে, রাতে একা জানালার পাশে বসে আছেন।



রাত্রি তখন গভীর, শহরের ব্যস্ততা অনেক আগেই ঘুমিয়ে পড়েছে। কেবল একটি জানালার আলো এখনো জ্বলছে – মিশুর ঘরে। সে বসে আছে একটি পুরনো ডায়েরি নিয়ে, যার পাতাগুলো নরম হয়ে গেছে বারবার ছোঁয়ার কারণে।


এই ডায়েরিটাই ছিল তার একমাত্র সম্বল যখন তানিয়ার সঙ্গে কথা বলার উপায় ছিল না।


তানিয়া – সেই মেয়েটা যে একসময় মিশুর পৃথিবী হয়ে উঠেছিল। কলেজে দেখা, ধীরে ধীরে বন্ধুত্ব, তারপর ভালোবাসা। কিন্তু সময় কখনো কখনো বড় নিষ্ঠুর হয়। তানিয়ার পরিবার তাদের সম্পর্ক মেনে নেয়নি। তাদের যোগাযোগ বন্ধ করে দেওয়া হয়। ফোন নম্বর বদলে যায়, তানিয়ার শহরও বদলে যায়।


কিন্তু মিশু হাল ছাড়েনি। সে প্রতিদিন ডায়েরিতে লিখে গেছে তার অনুভূতি, স্মৃতি, স্বপ্ন আর একটিমাত্র বিশ্বাস – একদিন তানিয়া ফিরবে।


আজ ৭ বছর পর, মিশু হঠাৎ একটি ইনস্টাগ্রাম মেসেজ পায় —

“কি খবর, মিশু? আজ হঠাৎ পুরনো একটা ছবি দেখে মনে পড়ল… কেমন আছো?”


তানিয়া!


হৃদপিণ্ডটা যেন কয়েক সেকেন্ড থেমে যায়। মিশু চোখ বন্ধ করে… তারপর টাইপ করে,

“এখনও ভালোবাসি… চি

রদিনের জন্য।”

Comments